ওড়াকান্দি, বাংলাদেশ: ভারতের তৈরি করোনার ১২ লক্ষ টিকা প্রতিবেশি বাংলাদেশকে আগেই পাঠিয়েছে মোদি সরকার। তবে সেটা ছিল অন্যান্য বন্ধু দেশের মতো প্রতিবেশি দেশের প্রতি আপতকালীন সৌজন্যতা। আজ, শনিবার বাংলাদেশ সফরের দ্বিতীয় দিনে ওড়াকান্দিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি সেই টিকার পরিমাণ আরও বাড়ানোর ইঙ্গিত দিলেন। তিনি সেখানে হরিচাঁদের আশ্রম পরিদর্শনের পর একটি ভাষণে বলেন, ‘মহামারী চলাকালীন, ভারত ও বাংলাদেশ তাদের সক্ষমতা প্রমাণ করেছে। আজ উভয় দেশ একসঙ্গে দৃঢ়ভাবে এই মহামারীর সঙ্গে লড়াই করছে। ভারতের তৈরি ভ্যাকসিন বাংলাদেশের নাগরিকদের কাছে পৌঁছানোর বিষয়ে ভারত চিন্তাভাবনা করছে।’ মোদির এই মন্তব্যের পর দুই বাংলার মানুষের মনে এখন প্রশ্ন, তাহলে কি বাংলাদেশের সমস্ত নাগরিকের জন্য দেশের তৈরি টিকা সরবরাহ করবে মোদি সরকার? যেহেতু বিষয়টি এখন মোদি সরকারের বিবেচনাধীন, তাই এর বিস্তারিত উত্তর পেতে দুই বাংলার মানুষকে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। উল্লেখ্য, গত কাল শুক্রবার ২৬ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্ণ হয়েছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ও স্বাধীনতা সংগ্রামী শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মের ১০০ বছর পূর্ণ হয়েছে। আর এই উপলক্ষে বন্ধু রাষ্ট্র ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে আগেই আমন্ত্রণ জানান বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী মুজিব কন্যা শেখ হাসিনা। সেজন্য গতকাল বাংলাদেশে দুই দিনের সফরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আজ সফরের দ্বিতীয় দিনে তিনি ওড়াকান্দিতে মতুয়া গুরু হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দির দর্শনে আসেন। সঙ্গে আছেন বনগাঁ লোকসভার সাংসদ ও মতুয়া পরিবারের উত্তরসূরি শান্তনু ঠাকুর। আজ ওড়াকান্দির মন্দির দর্শনের পর মোদি যান সাতক্ষীরায়। সেখানে শ্যামনগর এলাকায় সতীর ৫১ পীঠের অন্যতম পীঠস্থান যশোরেশ্বরী কালী মন্দির পরিদর্শন করেন এবং পূজা দেন ভারতের যশস্বী প্রধানমন্ত্রী।